কথা বলতে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে: ইসি সচিব
July 30, 2017 Ice COOL
নাগরিক সমাজের পাঁচ ডজন প্রতিনিধির মতামত দেওয়ার জন্যে দুই ঘণ্টা সময় রাখলেও আলোচনার জন্য প্রত্যেকে ‘পর্যাপ্ত’ সময় পাবেন বলে আশ্বস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।
RELATED STORIES
নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ রোববার সাংবাদিকদের বলেছেন, “এ মতবিনিময় সভায় মূলত উনাদের কাছ বক্তব্য শুনব আমরা। বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছে। এজন্য ঠিক ২ মিনিট সময় কেন; যতক্ষণ পর্যন্ত প্রত্যেকে বক্তব্য রাখবেন সময় দেওয়া হবে।”
ইসিতে যোগ দিয়ে এদিনই প্রথম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন হেলালুদ্দীন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের ‘রোডম্যাপ’ ঘোষণার পর সোমবার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে ইসির সংলাপ।
নির্বাচন ভবন
প্রথম দিনের সংলাপের কার্যসূচিতে আমন্ত্রিত ৫৯ অতিথির জন্য দুই ঘণ্টা সময় রাখায় পড়ে প্রত্যেকে ২ মিনিট সময় পাচ্ছেন বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘পর্যাপ্ত সময়’ দেওয়ার কথা বলেন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব।
“আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রতিনিধিদের কথা বলতে পর্যাপ্ত সময় না দিলে অসম্মান জানানো হবে,” বলেন তিনি।
হেলালুদ্দীন বলেন, “নির্বাচন কমিশন একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। তা নিয়ে দেশবরেণ্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধি যারা আছেন, তাদের সাথে মতবিনিময় হবে। এটা ধারাবাহিকভাবে আরও কিছুদিন চলবে। দেশে যারা নারী নেত্রী আছেন, সাংবাদিকসহ অন্যদের সঙ্গেও কথা বলা হবে।”
নির্বাচনী আইন সংস্কার, সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ আইন যুগোপযোগী করা, নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নে পরামর্শ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত কার্যক্রম যুগোপযোগী করার বিষয়ে পরামর্শ, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন এবং নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নিরীক্ষা সংক্রান্ত প্রস্তাবনাসহ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতামত নিতে সংলাপ ডাকা হয়েছে। তবে অতিথিরা এর বাইরে অন্য বিষয়েও আলোচনা করতে পারবেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে এ সংলাপে চার নির্বাচন কমিশনারও উপস্থিত থাকবেন।
‘ঝড়ঝঞ্ঝা তীব্র হবে না’
নিজের নতুন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঝামেলা দেখছেন না হেলালুদ্দীন।
হেলালুদ্দীন আহমদ
তিনি বলেন, কমিশন একটা রোডম্যাপ দিয়েছে। সেই পথ ধরেই এগোনো হবে। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এখানে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আলাদা কোনো সত্ত্বা নেই। সমন্বিতভাবে কমিশন ও সচিবালয় কাজ করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন বলেন, “কেউ আর আগের দিনের মতো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না।
“সব ধরনের ঝড়ঝঞ্ঝা মাথায় নিয়ে কাজ করতে আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত। আমি দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করেছি। ওখানকার চেয়ে এখানে ঝড়ঝঞ্ঝা অত বেশি তীব্র হবে বলে বিশ্বাস করি না।”
গত ২০ জুলাই ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমদকে ভারপ্রাপ্ত সচিব পদমর্যাদায় নির্বাচন কমিশনের সচিব নিয়োগ দেয় সরকার। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে শিল্পসচিব পদে বদলি করা হয়।

0 comments:
Post a Comment